গণ মাধ্যম

গণমাধ্যমের মালিকানার ক্ষেত্রে নীতিমালা দরকার…জুনায়েদ সাকি

  প্রতিনিধি ৪ মে ২০২৫ , ৫:৪৪:১৯ প্রিন্ট সংস্করণ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের মালিকানার ক্ষেত্রে নীতিমালা দরকার,যেন একচেটিয়া মালিকানা না গড়ে উঠে।

রোববার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সম্পাদক পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে লড়াই চালিয়ে যাবো। তবে স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ করা উচিত। প্রত্যেকের জবাবদিহিতা দরকার।

জোনায়েদ সাকি বলেন, গণমাধ্যমের মালিকানার ক্ষেত্রে নীতিমালা দরকার, যেন একচেটিয়া মালিকানা না গড়ে উঠে। এমন কোনো নীতিমালা থাকা যাবে না- যা গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরে। ভয়হীন সমাজ তৈরি করতে চাই। রাষ্ট্র এমন কোনো আইন করতে পারবে না- যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের এথিক্যাল জার্নালিজমের জন্যে নীতিমালা থাকা উচিত। মব আক্রমণ চলছে। ভয়ের চোটে চাকরি চলে যাচ্ছে। রাষ্ট্র যদি মব আন্দোলন বন্ধ করতে না পারে, তাহলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকে না।

সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক ও সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম। এতে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিক নেতারা। তারা গণমাধ্যম থেকে ফ্যাসিবাদ বের করতে স্পষ্ট রূপরেখার প্রয়োজন বলে মত দেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকলেও একটা নীতি থাকা জরুরি বলে মনে করেন তারা।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সম্পাদক পরিষদের সহ-সভাপতি ও নিউ এজ-এর সম্পাদক নুরুল কবির, দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী, সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক শাহরিয়ার করিম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাতীয় প্রেস ক্লাসের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ প্রমুখ।

আরও খবর

Sponsered content

সুন্দর বনে আগুন লাগা এখন নিয়ন্ত্রণে এসেছে

অক্টোবর থেকে সচিবালয়ে নিষিদ্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সামগ্রী…মন্ত্রিপরিষদ সচিব

যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় আহত, নিহত ও নিখোঁজদের পরিচয়সহ প্রকৃত সংখ্যার নির্ধারণে ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বলছে, ৯ হাজার ৫৭২ জন সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

ইসি ওয়েবসাইট থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক ‘নৌকা’ সরিয়ে ফেলা হয়েছে

মডেল মসজিদ নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে…ধর্ম উপদেষ্টা